বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আব্দুল হাকিম বলেছেন, সাংবাদিকতা একটি মর্যাদাপূর্ণ ও দায়িত্বশীল পেশা। এ পেশার মর্যাদা ও পেশাগত মান সমুন্নত রাখতে সাংবাদিকদের নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।
তিনি আজ সোমবার(৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণে অধিকার ও পেশাগত দায়িত্ববোধ সম্পর্কিত আইন ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নের গুরুত্ব শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সেশন পরিচালনাকালে এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের অধিকার সংরক্ষণ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত স্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। সাংবাদিকরা নিজেদের অধিকার সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে এলে পেশাটির স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্রসহ আইনসম্মত পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তরুণ সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও পেশাগত মান উন্নয়নের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এসময় সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা যাচাই, বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখতে সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন রাজশাহী পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. তৌহিদুজ্জামান। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. আব্দুস সবুর সম্পদ ব্যক্তি হিসেবে প্রশিক্ষণে সেশন পরিচালনা করেন।
কর্মশালায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার চল্লিশ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও দায়িত্ব, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান, এবং গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা।
তিনি আজ সোমবার(৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে রাজশাহী জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত গণমাধ্যমকর্মীদের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণে অধিকার ও পেশাগত দায়িত্ববোধ সম্পর্কিত আইন ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নের গুরুত্ব শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সেশন পরিচালনাকালে এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের অধিকার সংরক্ষণ ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান আইন ও বিধি-বিধান যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত স্বার্থ সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল কাজ করছে। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে। সাংবাদিকরা নিজেদের অধিকার সচেতন হয়ে দায়িত্বশীলভাবে এগিয়ে এলে পেশাটির স্বাধীনতা ও পেশাদারিত্ব আরও শক্তিশালী হবে।
প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বলেন, সাংবাদিকদের নিয়োগপত্র ও পরিচয়পত্রসহ আইনসম্মত পেশাগত অধিকার নিশ্চিত করা প্রয়োজন। একইসঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাজীবী সংগঠনগুলোকে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান অনুসরণ করে কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। তরুণ সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও পেশাগত মান উন্নয়নের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।
এসময় সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তথ্যের যথার্থতা যাচাই, বস্তুনিষ্ঠতা, নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নৈতিকতা বজায় রাখতে সাংবাদিকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মশালার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান। স্বাগত বক্তব্য দেন রাজশাহী পিআইডির উপপ্রধান তথ্য অফিসার মো. তৌহিদুজ্জামান। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. আব্দুস সবুর সম্পদ ব্যক্তি হিসেবে প্রশিক্ষণে সেশন পরিচালনা করেন।
কর্মশালায় রাজশাহী জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার চল্লিশ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেন।
কর্মশালায় সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও দায়িত্ব, সাংবাদিকতার নৈতিকতা, সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি-বিধান, এবং গণমাধ্যমের পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়। পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বক্তারা।